টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে উপজেলার পাইন্দং এলাকায়। -কালের কণ্ঠ
গত তিন দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বিশেষ করে হালদা ও ধুরুং নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হওয়ায় বন্যার আতঙ্কে রয়েছে স্থানীয়রা।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, টানা বৃষ্টিতে পৌরসভা এলাকা ছাড়াও সুয়াবিল, হারুয়ালছড়ি, সুন্দরপুর ও পাইন্দং ইউনিয়নের অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক এলাকার সড়ক ডুবে গেছে। কোথাও কোথাও বৃষ্টির পানি বসতবাড়িতে ঢুকে পড়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বাসিন্দারা।
নিচু এলাকার কৃষিজমিও এখন পানির নিচে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে এবং পাহাড়ি ঢল বাড়লে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে, উপজেলার সুন্দরপুরে হালদা নদীর পাড় উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকায় গবাদি পশু ও ঘরের আসবাবপত্র নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে সেখানকার বাসিন্দাদের।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জরুরি অবস্থা বিবেচনায় ১৯টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় একটি করে মোট ২১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রত্যেক ইউনিয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও স্বেচ্ছাসেবক দলগুলোকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে যাতে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা যায়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, বন্যা পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মাধ্যমে খবরাখবর নেওয়া হচ্ছে।
সম্পাদক: লিটন আফরোজ।
নিউজ ডিবিএন | আপনার আস্থার সংবাদমাধ্যম