
নিজেস্ব প্রতিবেদনঃ
রাজধানীর মিরপুরে “ঈগল আবাসিক হোটেলে” সংঘবদ্ধ হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে মামলার প্রধান অভিযুক্ত ও মূলহোতা হিসেবে অভিযোগে নাম থাকা সবুজ এখনও পলাতক রয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সবুজ ও তার সহযোগীরা মিরপুরের ঈগল আবাসিক হোটেলে গিয়ে চাঁদা দাবি করে। হোটেল কর্তৃপক্ষ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালায়।
অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা হোটেলের বিভিন্ন কক্ষ, রিসেপশন ও অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও অন্যান্য মূল্যবান মালামালের ক্ষয়ক্ষতি করা হয়। পাশাপাশি হোটেলের ক্যাশ ভেঙে নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
হামলার সময় হোটেলের ম্যানেজার শরিফুল ইসলাম রনি ও কর্মচারীরা,ব্যাধা প্রদান করলে তাঁদের ওপর অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়। এ ঘটনার পর হোটেলটির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মামলায় এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে অভিযোগের মূলহোতা হিসেবে অভিযুক্ত সবুজ এখনও পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সংগৃহীত আলামত ও তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে প্রকাশ্যে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও চাঁদাবাজির অভিযোগে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন