
চবি প্রতিনিধি:
রাত যতই গভীর হয়েছে, ততই বেড়েছে উত্তেজনার পারদ। বিশাল পর্দার সামনে জড়ো হওয়া হাজারো শিক্ষার্থীর চোখ তখন ছিল একটাই দিকে—ব্রাজিল বনাম জাপানের লড়াই। মাঠে খেলা চললেও, গ্যালারির আবহ তৈরি হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই। প্রতিটি পাস, প্রতিটি আক্রমণ আর প্রতিটি সুযোগের সঙ্গে বদলে যাচ্ছিল দর্শকদের আবেগ।
ম্যাচের শুরুতে জাপান গোল করে এগিয়ে গেলে মুহূর্তেই বদলে যায় পুরো পরিবেশ। কয়েক সেকেন্ড আগেও যেখানে শোনা যাচ্ছিল হাজারো কণ্ঠের গর্জন, সেখানে নেমে আসে এক অদ্ভুত নীরবতা।
ব্রাজিল সমর্থকদের মুখে তখন হতাশার ছাপ, অনেকে অবিশ্বাসে তাকিয়ে ছিলেন বড় পর্দার দিকে। সেই নীরবতার মাঝেই উল্লাসে ফেটে পড়েন আর্জেন্টিনা সমর্থকেরা। তাদের করতালি, উচ্ছ্বাস আর স্লোগানে কিছু সময়ের জন্য প্রাণ ফিরে পায় চারপাশ।
তবে ব্রাজিল সমর্থকদের চোখে তখনও ছিল প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষা।বিরতির পর যেন বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। নতুন উদ্যমে আক্রমণ শুরু করে ব্রাজিল। প্রতিটি আক্রমণের সঙ্গে বাড়তে থাকে দর্শকদের প্রত্যাশা। আর যখন বহু প্রতীক্ষিত সমতার গোলটি আসে, তখন যেন এক মুহূর্তে বিস্ফোরিত হয় পুরো এলাকা।
হাজারো শিক্ষার্থীর একসঙ্গে উঠে দাঁড়ানো, বজ্রধ্বনির মতো চিৎকার, করতালি আর উল্লাসে কেঁপে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। মুহূর্তের মধ্যেই শত শত মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট জ্বলে ওঠে। অন্ধকার রাত আলোকিত হয়ে ওঠে হাজারো সাদা আলোর ঝলকে। কেউ পতাকা উড়িয়েছেন, কেউ বন্ধুদের জড়িয়ে ধরেছেন, আবার কেউ আনন্দে লাফিয়ে উঠেছেন। ক্যাম্পাসজুড়ে তখন একটাই ধ্বনি—”ব্রাজিল! ব্রাজিল!”
গোল উদযাপনের সেই দৃশ্য ছিল শুধু একটি গোলের আনন্দ নয়; ছিল দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে আসা বিশ্বাসের উদযাপন। মাঠের খেলা আর দর্শকদের আবেগ যেন এক সুতোয় গাঁথা হয়ে গিয়েছিল। বিশাল জনসমুদ্রের প্রতিটি উল্লাস প্রমাণ করছিল, ফুটবল এখানে কেবল একটি খেলা নয়—এটি আবেগ, পরি
মন্তব্য করুন