
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যার পানি ভারত হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসার কারণে বাংলাদেশে পৌঁছানোর আগেই পানির বেগ ও ধ্বংসক্ষমতা অনেকটাই কমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।
স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, হিমালয়ের লাংটাং লিরুং চূড়ার কাছে হিমবাহ ধসে বরফ ও পাথর লহেন্দে খোলা নদীতে পড়ে। সেখান থেকে পানি ভোতে কোশি ও ত্রিশুলি নদীর সঙ্গে মিশে যায়। ত্রিশুলি নদী পরে নারায়ণী নদীতে রূপ নেয়, যা ভারতে প্রবেশের পর গণ্ডক নদী নামে পরিচিতি পায়।
গণ্ডকের অতিরিক্ত পানি গঙ্গা হয়ে ফারাক্কা ব্যারেজ অতিক্রম করার পর বাংলাদেশে পদ্মায় এসে পৌঁছাতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। বর্তমানে বিহার ও উত্তর প্রদেশে সতর্কতা জারি করে বাল্মীকিনগর ব্যারেজের ৩৬টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে।
পানি ঠিক কবে নাগাদ বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে তা এখনো নিশ্চিত নয়। দীর্ঘ নদীপথ অতিক্রম করার সময় পাহাড়ি ঢলের শক্তি সাধারণত কমে আসে। নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন